ভোলা সোমবার
১০ আগস্ট ২০২৬
২১ জুন ২০২৬

চলে গেলেন সাংবাদিকতার বাতিঘর এম. হাবিবুর রহমান


নিজস্ব প্রতিবেদক
117

প্রকাশিত: ২৫ নভেম্বর ২০২৫ | ০১:১১:৪৪ পিএম
চলে গেলেন সাংবাদিকতার  বাতিঘর এম. হাবিবুর রহমান চলে গেলেন সাংবাদিকতার বাতিঘর এম. হাবিবুর রহমান



এইচ আর সুমন : না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাংবাদিকতার বাতিঘর এম হাবিবুর রহমান। সোমবার বিকাল ৩টায় ঢাকার পিজি হাসপাতালে বর্ষিয়ান এই সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে শোক সাগরে ভাসছে ভোলা জেলা তথা দেশের দক্ষিণাঞ্চলের হাজারো সংবাদকর্মী। ১৯৬৭ সালে দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতার জগতে তার পদার্পন। তার পর থেকে গোটা জীবনটা কাটিয়ে দিলেন সাংবাদিকতা পেশায়। দীর্ঘ এই সময়ে তিনি নিরলস চেষ্টা করে গেছেন সাংবাদিকদের উন্নয়নে। এই জগতের উজ্বল এই বাতিঘরের আলোয় আলোকিত হয়েছে দ্বীপজেলা ভোলার সাংবাদিকতা জগত। স্বাধীনতা পরিবর্তী ১৯৭২ সালে তিনি ভোলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নেওয়ার পর তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক মাহবুবুর রহমানে সহায়তায় ভোলা প্রেসক্লাবের বর্তমান স্থানে ভবন নির্মান করেন। পরবর্তীতে এম হাবিবুর রহমান ২০০৬ দ্বিতীয় দফায় ভোলা প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০১০ সালে তিনি ভোলা প্রেসক্লাবকে আধুনিকায়ন করেন। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রথমে জেলা পরিষদ থেকে ভোলা প্রেসক্লাবের বর্তমান ভবন নির্মাণের জন্য ৩১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং পরিবর্তীতে ওই টাকার সাথে যুক্ত করে মেঘনা লাইফ এর চেয়ারম্যান সাবেক এমপি নিজাম উদ্দিন আহমেদ নিজস্ব অর্থায়নে চার তলা বিশিষ্ট ভোলা প্রেসক্লাব নির্মাণ করেন। 

অপর দিকে ১৯৯৪ সালে দৈনিক বাংলার কণ্ঠ পত্রিকা প্রকাশের পর থেকে জেলা ব্যাপী কয়েক শত তরুনের হাতিখড়ি হয়েছে সাংবাদিকতা জগতে। দৈনিক বাংলার কণ্ঠ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক হাবিবুর রহমান আদর্শবান একজন সাংবাদিক ছিলেন। সৎ, নিষ্ঠাবান ও নিরহংকার একজন সাদাসিদে মানুষ ছিলেন হাবিবুর রহমান। সবাই তাকে হাবিব রিপোর্টার নামেই বেশি চিনতেন। টানা ছয় দশকের সাংবাদিকতা জীবনে কখনো কোথাও কোন প্রকার ছিটেফোটা কালিমাও লাগতে দেননি তার জীবনে। সততার অনন্য এক উদাহরণ হয়ে থাকবেন এম হাবিবুর রহমান। সাংবাদিকতা জগতের বিশাল এই বাতিঘরের আলোয় আলোকিত হয়ে বাংলার কণ্ঠ প্রত্রিকার কাজ করছে এক ঝাক নবীন, তরুণ ও প্রবীন সাংবাদিক। তার আদর্শে আদর্শবান বাংলার কণ্ঠ পরিবারের সাংবাদিকরা জেলা ব্যাপী বিশেষ সুনাম কুড়িয়েছেন। এই সুনাম আগামীতেও অটুট রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে দৈনিক বাংলার কণ্ঠ পত্রিকার পরিবারের সদস্যরা প্রয়াত সম্পাদকের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তার রুহেম মাগফেরাত কামনা করছেন। 

 

 


আরও পড়ুন: